রাজ্য সরকারের আড়াই দশকের পুরনো স্থির বেতনের চাকুরী নীতিকে বড় ধাক্কা দিল ত্রিপুরা উচ্চ আদালত।
আগরতলা, ৮ জানুয়ারি: রাজ্য সরকারের আড়াই দশকের পুরনো স্থির বেতনের চাকুরী নীতিকে বড় ধাক্কা দিল ত্রিপুরা উচ্চ আদালত। স্থায়ী পদে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের পাঁচ বছর ধরে স্থির বেতনে রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিল ত্রিপুরা উচ্চ আদালত।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মণ জানান, ২০০১ ও ২০০৭ সালে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল স্থায়ী পদে সরকারি কর্মচারী নিয়োগের পর পাঁচবছর তাঁদের স্থির বেতনে থাকতে হবে। তারপর থেকে তাঁদের রেগুলার পে-স্কেল দেওয়া হবে। ওই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা টেট শিক্ষকদের করা রিট পিটিশনের রায় ঘোষণা করে ত্রিপুরা উচ্চ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে চাকরির প্রথম দিন থেকেই কর্মীদের নিয়মিত বেতনক্রম (রেগুলার পে-স্কেল) দিতে হবে।
আদালত স্পষ্ট জানায়, স্থায়ী পদে নিয়োগের পর দীর্ঘদিন স্থির বেতন প্রদান ন্যায়সঙ্গত ও সাংবিধানিক নয়। এই ঐতিহাসিক রায়ের ফলে টেট শিক্ষকসহ অন্যান্য স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা উপকৃত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে নিয়মিত বেতনক্রম চালু করার নির্দেশও দিয়েছে উচ্চ আদালত। আদালতের
রায় প্রসঙ্গে আইনজীবী পুরুষোত্তম রায় বর্মণ জানান, আড়াই দশক ধরে চালু থাকা একটি বৈষম্যমূলক সরকারি সিদ্ধান্তকে আজ উচ্চ আদালত বাতিল করল। এই রায় শুধু শিক্ষকদের জন্য নয়, সমস্ত স্থায়ী সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টান্তমূলক।





